
অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং অব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি নিজের মতামত তুলে ধরেছেন।
সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানিয়েছেন, দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গত কয়েক বছর ধরে মাঠের ঘাস ও বলের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে কোকাবুরা বলের পরিবর্তে ডিউক বলের প্রচলন পেসারদের দক্ষতায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। তবে পরিকাঠামোগত উন্নতির পাশাপাশি প্রশাসনিক কিছু দুর্বলতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, এখনো অনেক সময় ম্যাচের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে কোচ নির্ধারণ করা হয়। এই অপেশাদার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ব্যাখ্যা করেন যে, অতীতে ঘরোয়া ক্রিকেটে কোকাবুরা বল ব্যবহার করা হতো, কিন্তু বর্তমানে ডিউক বল ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিউক বল মূলত দীর্ঘ সময় ধরে সুইং প্রদান করে, যা ব্যাটারদের কৌশলগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক এবং একই সাথে ফাস্ট বোলারদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করে। এর ফলে পেসাররা এখন সারাদিন বোলিং করার পরও শেষ বিকালে সমান আত্মবিশ্বাস নিয়ে বল করার মানসিকতা অর্জন করেছে। মাঠ ও পিচে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঘাস রাখা এবং বলের এই পরিবর্তনই সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস ইউনিটের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে নেটিজেনদের বিভিন্ন সমালোচনা ও গুঞ্জনের প্রেক্ষিতে নান্নু বলেন, বিসিবি মাঠের লড়াইকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পরিকল্পনার ঘাটতি এখনো একটি বড় অন্তরায় হিসেবে রয়ে গেছে। বিশেষ করে ম্যাচের ঠিক আগ মুহূর্তে কোচ বা অন্যান্য কারিগরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে সময়োচিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।





