
অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে পতন হয়েছে। টানা তিন দিনের ঊর্ধ্বগতির পর এই দরপতন দেখা যায় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১০৬ দশমিক ৩০ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১০০ দশমিক ৭৭ ডলারে নেমে আসে।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তেলের দাম দীর্ঘদিন ধরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের আশপাশে বা তার ওপরে অবস্থান করছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এখনো বাজারে প্রভাব ফেলছে। তবে পরিস্থিতি অনিশ্চিত হওয়ায় তেলের দামে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা দুর্বল হওয়ায় বাজারে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় একটি অংশের তেল পরিবহন হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে, তাই এই অঞ্চলের যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন এখনো ইরানি তেলের বড় ক্রেতা হিসেবে রয়েছে। চলমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে তেলের দামে আরও ওঠানামা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, উচ্চ সুদের হার এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির চাহিদার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি মজুত কমে যাওয়াও বাজারে নতুন চাপ তৈরি করছে।





