
অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
প্রায় দেড় বছর পর অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ শিক্ষা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত খসড়ায় প্রাথমিক শিক্ষাকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সীমিত রেখে বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে, যা শিক্ষাবিদদের মতে ১৯৯০ সালের বিদ্যমান আইনেরই পুনরাবৃত্তি।
শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষা আইন নিয়ে আলোচনা চলছে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে। অথচ অংশীজনদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শ ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে খসড়া তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র নয় দিন আগে, ১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়াটি প্রকাশ করা হয়। মতামত দেওয়ার সময় রাখা হয়েছে মাত্র ছয় দিন, যার মধ্যে তিন দিনই সরকারি ছুটি।
খসড়ায় প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হলেও বাস্তবে এটি সাড়ে তিন দশক ধরে কার্যকর রয়েছে। বর্তমানে শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংগঠন পুরো মাধ্যমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন এবং অন্তত অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করার দাবি জানিয়ে আসছে।
উল্লেখ্য, মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের পরামর্শক কমিটির প্রতিবেদন এখনো জমা হয়নি। কমিটি শিগগিরই সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





