
অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই শতাধিক আসন জয় করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এই ফলাফল শুধু নির্বাচনী জয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।
শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়। তবে স্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করবে বিএনপি কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিকভাবে কাজ করতে পারে তার ওপর। পারস্পরিক সংলাপ, প্রতিশোধমুক্ত নীতি ও গঠনমূলক রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার চাবিকাঠি।
অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিএনপি রাজস্ব শৃঙ্খলা, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন ও বিনিয়োগ-বান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা আনতে পারে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ পরিবেশের চ্যালেঞ্জ সমাধান করতে ধারাবাহিক ও বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিজয় একই সঙ্গে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের সুযোগ নিয়ে এসেছে। সিভিল সার্ভিস, সংসদ ও বিচার বিভাগে নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা হলে নির্বাচনী জয় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রগতির পথে পরিবর্তিত হতে পারে।
জনপ্রিয় প্রত্যাশা এখন উচ্চ। অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণে দ্রুত অগ্রগতি না হলে জনগণের অসন্তোষ ফের বাড়তে পারে। তাই নতুন সরকারের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোই নির্ধারণ করবে এই বিজয় কি কেবল সাময়িক, নাকি সত্যিকার অর্থে রূপান্তরমূলক।





