
অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল লড়াই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। তবে অতীতে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত প্রায় ৩০টি আসনে ভোটের সমীকরণ নতুনভাবে গড়ে উঠেছে। দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং নেতারা আত্মগোপনে থাকায় আওয়ামী লীগের ভোট এখন বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মাদারীপুর: তিন আসনেই বিএনপি ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ভোট টানার চেষ্টা করছেন। মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির নাদিরা আক্তার ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন, যেখানে স্থানীয় অন্তত ২০ জন নেতা সমর্থন জানিয়েছেন। মাদারীপুর-২ ও -৩ আসনেও বিএনপি প্রার্থীরা একই কৌশল অবলম্বন করছেন।
শরীয়তপুর ও ফরিদপুর: বহু নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। স্থানীয় নেতারা নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিবেচনায় বিএনপির প্রার্থীদের সমর্থন দিচ্ছেন।
গোপালগঞ্জ: আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে প্রকাশ্যে অন্য দলের পক্ষে প্রচারণা করতে দেখা যায়নি, তবে ভোট টানার জন্য বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারতসহ বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছেন।
বাগেরহাট ও ঠাকুরগাঁও: বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছেন।
জামালপুর ও ময়মনসিংহ: বিএনপি ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোটারদের কাছে সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। স্থানীয়রা ভোটে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের ভোট কোথায় যাবে, তা এবারের নির্বাচনের ফলাফলের গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হতে পারে।





