স্কুল ব্যাংকিংয়ে এক বছরে বেড়েছে ৪ লাখ অ্যাকাউন্ট

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অনলাইন ডেস্কঃ

স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে তুলতে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর এ উদ্যোগ স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের জনপ্রিয়তাও অব্যাহতভাবে বাড়ছে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে স্কুল ব্যাংকিংয়ের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ও সঞ্চয় স্থিতির পরিমাণ। স্কুল ব্যাংকিং শুরু হওয়ার নয় বছরের ব্যবধানে অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ২৩ লাখ ছাড়িয়েছে। একই সময়ে সঞ্চয় স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা।

স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অংশগ্রহণ। ফলে ব্যাংকগুলোতে এই কার্যক্রমের আওতায় খোলা হিসাবের পাশাপাশি আমানতের পরিমাণও অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এখন পর্যন্ত স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোই এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংকগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করেছে, যা স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের মোট স্থিতির ৮৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ২৪ দশমিক ৬২ শতাংশ স্কুল ব্যাংকিং হিসাব খুললেও মোট স্থিতির মাত্র ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, স্কুল ব্যাংকিংয়ের মোট হিসাবের ৩৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ খোলা হয়েছে গ্রামাঞ্চলে। ৬১ দশমিক ৪৩ শতাংশ খোলা হয়েছে শহরাঞ্চলে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, দেশের জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ স্কুলের ছাত্রছাত্রী। স্কুল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সঞ্চয়ের অভ্যাস ছেলেমেয়েদের মনে এনে দেবে আর্থিক শৃঙ্খলা, যা তাদের সুশৃঙ্খল জীবন গঠনেও সহায়ক হবে। তিনি বলেন, করোনাকালে স্কুল কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও করোনা পরবর্তীতে এ কার্যক্রম জোরদার করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।

১১ থেকে ১৮ বছর বয়সি অর্থাৎ ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির আগ্রহী ছাত্রছাত্রীরা তাদের বাবা-মা অথবা বৈধ অভিভাবকের সঙ্গে যৌথ নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। মাত্র ১০০ টাকা প্রাথমিক জমা দিয়ে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ব্যাংক শাখায় এ হিসাব খোলা যায়। এ হিসাবে কোনো ফি বা চার্জ আরোপ করা হয় না। এমনকি ন্যূনতম স্থিতি রাখার বাধ্যবাধকতাও নেই।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply