Home / Slide News / চার বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রতারক চীনা দুই ব্যবসায়ী

চার বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রতারক চীনা দুই ব্যবসায়ী

হাবিবুল্লাহ মিজান

বাংলাদেশে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রতারিত হয়ে কোটিপতি এক চীনা নাগরিক এখন ফুটপাত দোকানদার। এই করুণ ঘটনাটি ঘটেছে উইং কেন চেং নামের চীনা বিনিয়োগকারীর জীবনে।

চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ঐশি গ্লোভস অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম কচি তাঁর চীনা পার্টনারের করুণ পরিনিতির বিষয়ে এই তথ্য অল ক্রাইমস টিভিকে শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন।

প্রতারক লিফাত লেদার ক্র্যাফট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হং লিন প্যান ওরফে জ্যাসন লু

তিনি রপ্তানিযোগ্য চামড়াজাত পণ্য তৈরির মূলধনি মেশিন আমদানি করতে গিয়ে সরকারি তিন প্রতিষ্ঠান ও জলিয়াত চক্রসহ এ চারের চক্করে খুইয়েছেন সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। তবে মামলার খরচ ছাড়াই এ অর্থ ব্যয় হয়েছে তার। অথচ এখনও ফেরত পাননি দেড় কোটি টাকা মূল্যের হ্যান্ড গ্লোভস সুইং মেশিন।

এ দিকে মূলধনি মেশিনপত্র চুরি হওয়ায় উৎপাদনে যেতে পারেনি এই কারখানাটি। অথচ মাসের পর মাস লক্ষ লক্ষ টাকা শুধু কারখানার ভাড়া এবং শ্রমিকদের বেতন বাবদই গুণতে হয়েছে বিদেশী বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিকে। এই সুযোগে কারখানার বাকি মালামাল চুরি হয়ে গেছে। কারখানা ভাড়ার অগ্রিম ৩০ লক্ষ টাকাও আত্মসাৎ করেছে আরেকটি চক্র। সব হারিয়ে চীনা বিনিয়োগকারী উইং কেন চেং বিনিয়োগ বন্ধ করে দেশে চলে গেছেন। আর্থিক এবং মানসিক চাপে এক পর্যায়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য চীনা ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া টাকা পরিশোধ করতে চীনে থাকা তার পরিবারের সব সম্পত্তি বিক্রি করতে হয়। এক পর্যায়ে দু-বেলা খাবারের টাকা যোগাড় করতে ফুটপাতে নুডুলস বিক্রি শুরু করেন।

এই দিকে এই ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৭ শে ফেব্রুয়ারি খুলনা খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন আব্দুস সালাম কচি। মামলায় অভিযুক্ত করা হয় দুইজন চীনা ব্যবসায়ীসহ দুই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের।

মামলার তদন্ত খালিশপুর থানা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ঘুরে এখন খুলনার সিআইডি পুলিশের হাতে। আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তদন্তের নামে মামলাটি ফাইল চাপা পরে থাকে দিনের পর দিন। এই ফাঁকে অভিযুক্ত দুই চীনা নাগরিক বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। যদিও বেনামে তাঁদের বিভিন্ন কারখানা এখনো চলছে বলে জানা গেছে।

তবে মামলা দায়ের করার প্রায় চার বছর পর দুই চীনা প্রতারক ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশী সহযোগী এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এইস এম ইমামকে গত ১৫ মার্চ বিকেলে বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি পুলিশ। আসামীকে ছাড়ানোর পায়তারা চলেছিল মোটা টাকা ঘুষ দেয়ার প্রলোভন দিয়ে। কিন্তু মামলায় বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর সরদার হায়াত আলীর কঠোর অবস্থানের কারনে প্রভাবশালী চক্রের অপচেষ্টা সফল হয়নি। রাতেই ইমামকে ঢাকা থেকে খুলনা নেয়া হয় এবং পরের দিন আদালতে মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ডের সুপারিশ, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের ছাড়পত্র এবং কাস্টমসের অবৈধ পণ্য খালাসের ঘটনায় এই আচরণ সরকারি তিন প্রতিষ্ঠানের।

তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ড বলেছিল, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয় একই মেশিনের জন্য দু’জনকেই ছাড়পত্র দিয়েছে। আর একই মেশিনের দু’জন দাবিদার থাকলেও যাচাই না করেই পণ্য খালাস করেছে কাস্টমস।

অপরদিকে খুলনা কাস্টমস বলছে, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কর্যালয়ের অনুমোদন নিয়েই পণ্য খালাস করা হয়েছে। আর আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয় বলছে, তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ডের সুপারিশেই পণ্য খালাসের অনুমতি দেয়া হয়েছিল।

সব মিলিয়ে, নিজেদের দোষ ঢাকতে চীনের জালিয়াত চক্রের ঘাড়েই পুরো দোষ চাপাচ্ছে সরকারের এ তিন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এই জালিয়াত চক্রের হোতা চীনা নাগরিক হংনিপ্যানসহ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আজও। যদিও এই বিষয়ে তদন্ত হয়েছিল জানিয়েছেন বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক পরিচালক আলী কদর,যিনি এখন সংস্থাপন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন-সচিব হিসাবে কর্মরত।

সরকারি এ তিন প্রতিষ্ঠানের পেছনে দিনের পর দিন ছুটছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের মূলধনী হ্যান্ড গ্লোভস মেশিনের মালিক রাজধানীর মিরপুর এলাকার আব্দুস সালাম কচি। তিনি রপ্তানিযোগ্য চামড়াজাত পণ্য তৈরির মূলধনি মেশিন আমদানি করতে গিয়ে সরকারি তিন প্রতিষ্ঠান ও জলিয়াত চক্রসহ এ চারের চক্করে খুইয়েছেন সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। তবে মামলার খরচ ছাড়াই এ অর্থ ব্যয় হয়েছে তার। অথচ এখনও ফেরত পাননি দেড় কোটি টাকা মূল্যের হ্যান্ড গ্লোভস সুইং মেশিন।

বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক পরিচালক আলী কদর বলেন, আমদানি ও রপ্তানিনিয়ন্ত্রক কার্যালয় একই মেশিনের জন্য দু’জনকেই ছাড়পত্র দিয়েছে। আর একই মেশিনের দু’জন দাবিদার থাকলেও যাচাই না করেই পণ্য খালাস করেছে খুলনা কাস্টমস।

অপরদিকে খুলনা কাস্টমস বলছে, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কর্যালয়ের অনুমোদন পেয়েই পণ্য খালাস করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে খুলনার কাস্টমস কমিশনার অফিসের ততকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকতা মতিয়ার রহমান  বলেছিলেন, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে পণ্য খালাস করা হয়েছে।

আর দোষ এড়াতে আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় বলছে, বিনিয়োগ বোর্ডের সুপারিশেই পণ্য খালাসের অনুমতি দেয়া হয়েছে। আব্দুস সালাম কচিকে এসব কথা বলে বিনিয়োগ বোর্ড এবং কাস্টমসের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বলেছিলেন সহকারী নিয়ন্ত্রক রবিউল হক।

চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ঐশি গ্লোভস অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম কচি জানান, সব হারিয়ে সরকারের তিন প্রতিষ্ঠান ও পুলিশের পেছনে পেছনে ঘুরতে হচ্ছে তাকে। চীনা প্রতারক চক্রকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা আজও একাই চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, এ অবস্থায় চীনের অংশীদার মি. উইং কেন চেং বিনিয়োগ বন্ধ করে আগের বিনিয়োগ ফিরে চাচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঐশি গ্লোভস অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানির নামে কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মেশিনটি খালাস করে চীনের এক প্রতারক চক্র। প্রতারক চক্রের মূল হোতা চীনা নাগরিক এবং প্রতারক লিফাত লেদার ক্র্যাফট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিও চিন প্যাং, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হং লিন প্যান ওরফে জ্যাসন লু, কনফিডেন্স কার্গোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল লাইন্সের কান্ট্রি ডাইরেক্টর ওমর ফারুকের বিরুদ্বে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ আছে।

ঐশি গ্লোভসের প্যাড-সিল ও কাগজপত্রজাল করে মংলা বন্দর থেকে মেশিনটি উত্তোলন করে গা ঢাকা দেন লিও চিন প্যাং এবং  হং লিন প্যান ওরফে জ্যাসন লু । পণ্য খালাসের সময় যে ঠিকানা ব্যবহার করেছেন তাও সঠিক নয়। বাস্তবে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বা সঠিক ঠিকানাও খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ ও বিনিয়োগ বোর্ড। উত্তরায় এক খালী বাসা অফিস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর গাজীপুরের যে প্লটে কারখানা দেখানো হয়েছে সেখানে রয়েছে সিজি গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ। যেখানে ওই মেশিনটি রাখার কোনো সুযোগ নেই।

তবে খুলনার খলিসপুর থানা পুলিশ জানিয়েছিল যে, মেশিনের খোঁজ পেয়েছিলেন তারা। তবে মামলাটি এখন খুলনা সিআইডিতে।

খুলনা থানার তৎকালীন এস আই মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শকের নির্দেশে মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়।

খুলনা সিআইডি পুলিশের তৎকালীন এসআই  এবং তদন্ত কর্মকর্তা মীর আতাহার আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে চুরি হওয়া মেশিনপত্রের খোঁজ-খবর নেয়ার চেস্টা করেছিলেন বলে দাবী করেছিলেন।

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট ঐশি গ্লোভসের মূলধনী যন্ত্রপাতি মংলা বন্দরে এসে পৌঁছে। এরপর মেশিন খালাসে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম কচি আবেদন করেন কাস্টমস অফিসে। কাস্টমস মেশিনের পুরাতন যন্ত্রপাতির বিপরীতে এনবিআর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সনদ চায়।

অপরদিকে চীনের জালিয়াত চক্র ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর লিফাত লেদার ইন্ডাস্ট্রি নামের কোম্পানি নিবন্ধন নিয়ে বিনিয়োগ বোর্ড, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয় এবং মংলা কাস্টমেসের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। মাত্র এক মাসের মাথায় ঐশি গ্লোভসের নামে কাগজপত্র তৈরি করে নতুন মেশিন আমদানির নামে আব্দুস সালাম কচির মেশিনটি উঠিয়ে নেয় চীনা এই প্রতারক চক্র। এই চক্রের প্রধান হোতা চীনা নাগরিক হংনিপ্যান।

ঐশি গ্লোভসের কাগজপত্র জাল করে নতুন মেশিন আমদানির জন্য এনবিআরের সুপারিশ নিয়ে আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে পণ্য খালাসের অনুমোদন নেয় এই চক্র। একই আইপিতে একই মেশিন খালাসের অনুমোদন দেয় আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।

আব্দুস সালাম কচি জানান, মেশিনের যন্ত্রাংশ পুরাতন থাকায় এনবিআর অনুমোদিত সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সনদ চায় কাস্টমস। ওই সময়ের মধ্যেই মংলা কাস্টমস মেশিনটি নতুন হিসেবে খালাস করে দেয় চীনা নাগরিক হংনিপ্যানকে।

আব্দুস সালাম কচি জানান, মেশিন হারিয়ে ঐশি গ্লোভস অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানির পক্ষে ২০১৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি চীনা প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে খুলনা খালিসপুর থানায় মামলা করা হয়।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ডের পরিচালক মো. আলী কদর ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত বলে উল্লেখ করেছিলেন সাংবাদিকদের কাছে। তিনি বলেন, ঐশি গ্লোভস তিনমাস আগে আইপি ইস্যুর জন্য আবেদন করে। আর তিনমাস পরে আবেদন করে লিফাত লেদার। সে কারণে চোখ এড়িয়ে দুইজনকে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে আমরা যখন জানতে পেরেছিলাম তখনই কাস্টমসকে মাল আটক রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা ছেড়ে দিয়েছে। কাস্টমসকে চিঠি দেওয়া হলেও এখন কাস্টমস জানায়নি কে মেশিনটি খালাস করেছে। কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছিল। দোষী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে তৎকালীন খুলনা কাস্টমস কমিশনার হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনায় আদালতে মামলা রয়েছে। সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য তৎকালীন রাজস্ব কর্মকর্তা মতিয়ার রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন তিনি।

খুলনা কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা তৎকালীন মতিয়ার রহমান বলেছিলেন, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে মেশিন খালাস করা হয়েছে। একটি মেশিনের দু’জন দাবিদার থাকার পরেও নতুন মেশিন আমদানির আবেদনকারিকে পুরাতন মেশিন কোনো দেওয়া হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন,এক্সপোর্টারের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী আব্দুস সালাম কচি বলেন, পণ্য উৎপাদন না করেও মাত্র ৩ মাসে মাসে ৯ লক্ষ টাকার বেশি গচ্চা দিতে হয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত কারখানার ভাড়া হিসেবে ৩ লাখ করে ৯ লাখ এবং অন্যান্য খরচ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া কারখানা স্থাপনের জন্য অন্যান্য খরচতো রয়েছেই। আর কারখানা স্থাপনে জমির ভাড়ার জন্য ৫০ লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল। সেটার বড় অংশও আত্মসাৎ করেছে আরেক প্রতারক।

 

Print Friendly

উপদেষ্টা সম্পাদক : আরিফ নেওয়াজ ফরাজী বাদল

সম্পাদক : হাবিবুল্লাহ মিজান

মোবাইল : ০১৫৩৪৬০৪৪৭৬, ই-মেইল : mizandeshi@gmail.com